নোনাই নদীতে ব্যাটারির সাহায্যে অবৈধ মাছ শিকারের বিরুদ্ধে অভিযান বনদপ্তরের

আব্দুল লতিফ Jul 08, 2020 - Wednesday ডুয়ার্স 235


ডুয়ার্সের বনাঞ্চলের নদী গুলোতে ব্যাটারি সাহায্যে ক্রমাগত মাছ ধরার ফলে উদবিঘ্ন বনদপ্তর।এই অবৈধভাবে মাছ শিকারে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে নানা প্রকারের সুস্বাদু নদীয়ালী মাছ।


সূত্রের খবর, লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে এক শ্রেণীর মানুষ মোরাঘাট জঙ্গল লাগোয়া নদী গুলোতে অবৈধ ভাবে ব্যাটারির সাহায্যে শক দিয়ে নদীয়ালি মাছ শিকারের নেশায় নেশাগ্রস্থ হয়ে উঠেছে।


সুস্বাদু নদীয়ালি মাছের তুমুল চাহিদার কারণে অতিরিক্ত অর্থ প্রাপ্তির আশায় তারা রাতের অন্ধকার কিংবা বন্যজন্তুর ভয়কে উপেক্ষা করে এই অবৈধ শিকারে মত্ত হয়ে উঠেছে।এর ফলে ক্রমাগত ভাবে নষ্ট হচ্ছে জঙ্গল লাগোয়া নদী গুলোর বাস্তুতন্ত্র।ক্রমশ কমে যাচ্ছে মাছের বংশবৃদ্ধি।তবে কড়া হাতে এই অবৈধ শিকারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে মোরাঘাট রেঞ্জের বনকর্মীরা। বুধবার মোরাঘাট জঙ্গল লাগোয়া নোনাই নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি ব্যাটারি সহ মাছ ধরার অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেন বনকর্মীরা।গত একমাসে বেশ কয়েকটি অভিযান চালানোর পাশাপাশি,স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাটারির সাহায্যে মাছ শিকার না করার আহ্বানে সচেতনতা মূলক প্রচার করেছেন বনদপ্তরের কর্মীরা । মোরাঘাট রেঞ্জ সূত্রে খবর, এদিন দুপুরে টহলদারি চালানোর সময় তারা দেখতে পান কয়েকজন যুবক নোনাই নদীতে ব্যাটারির সাহায্যে মাছ ধরছেন।বনদপ্তরের উপস্থিতি বুঝতে পেরে তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়েছেন যায়। পরে বনকর্মীরা সেখান থেকে একটি ব্যাটারি ও অন্যান্য কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।


মোরাঘাট রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার রাজকুমার পাল বলেন," লক ডাউনের মাঝে কাজ হারিয়ে কিছু মানুষ ব্যাটারির সাহায্যে নোনাই নদীর মাছ মারার কাজে লিপ্ত হন যা পুরোপুরি আইনের চোখে অপরাখ মূলক একটি কাজ। ক্রমাগত অভিযানের ফলে আমরা এই প্রবনতা অনেকটা কমিয়ে আনতে পেরেছি যদিও তা পুরোপুরি ভাবে বন্ধ হয়নি। এদিন ও একটি ব্যাটারি ও অন্যান্য কিছু সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়। এই কাজে যারা যুক্ত তাদের ধরতে পারলে বনদপ্তরের কড়া আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনাদের মূল্যবান মতামত জানাতে কমেন্ট করুন ↴

সবার আগে খবর পেতে , পেইজে লাইক দিন

আপনার পছন্দ

বিজ্ঞাপন
HS02

আরও খবর

বিজ্ঞাপন
PMJOK
HS02