রবিবার গভীর রাতে ধূপগুড়ির ডাকবাংলোতে দুঃসাহসিক চুরি।

প্রশান্ত সাহা Dec 02, 2019 - Monday ধূপগুড়ি


প্রশান্ত সাহা, ধূপগুড়িঃ রবিবার গভীর রাতে ধূপগুড়ি ডাকবাংলোতে এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধূপগুড়ি ১২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তপন বোসের ছোটো মেয়ে মৌমিতা বোসের বিয়ের আসর বসেছিলো ধূপগুড়ি জেলাপরিষদ বাংলোতে। ডাকবাংলো প্রাঙ্গনে বিয়ের অনুষ্ঠানের পাশাপাশি অথিতিদের থাকার জন্য ডাকবাংলোর ঘর গুলি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। আর রবিবার বিয়ের পর গভীর রাতে সেই ঘর থেকে চুরি গেলো চারটি মোবাইল ফোন, সোনার গয়না ও নগদ টাকা। সবমিলিয়ে প্রায় দুইলক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি গেছে বলে পরিবার সুত্রে খবর। থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে এই রকম চুরির ঘটনায় সভাবতই বিস্মিত ধূপগুড়ি বাসী। ধূপগুড়ি ডাকবাংলো নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই সরকারি বাংলোতে ১৯৯৬ সাল থেকে কোনো নিরাপত্তা কর্মী নেই।রাতে পর্যপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই বাংলোর ভেতরে। এইসব কারণে ডাকবাংলো চত্ত্বর হয়ে উঠেছে দুস্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য। এর আগেও এই ডাকবাংলোতে চুরি ও আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।


কনের বাড়ির তরফে সন্দীপ মিত্র বলেন,"রবিবার বিয়ের পর অনেক অথিতিরা বাড়ি ফিরে না গিয়ে এখানেই ঘুমিয়েছিলেন।ভোরের দিকে তারা বুঝতে পারেন তাদের কিছু জিনিস খোয়া গেছে।কি করে একটি সরকারি বাংলোর ভেতরে এই ঘটনা ঘটলো বুঝে উঠতে পারছি না।এখানে নিরাপত্তা বলতে কিছুই নেই।থাকলে হয়তো এই অবস্থা হতো না।


জেলাপরিষদের সদস্য মমতা সরকার বৈদ্য বলেন,থানা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দপ্তর থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে এমন একটি চুরির ঘটনা হওয়ায় আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।এটা ধূপগুড়ির আছে অত্যন্ত লজ্জার বিষয়।আমি পুলিশের সাথে কথা বলেছি চুরি যাওয়া সমস্ত সামগ্রী যাতে দ্রুত উদ্ধার করা হয় সেই বিষয়ে কথা হয়েছে।আগামীকাল আমরা জেলাপরিষদে ধূপগুড়ি ডাকবাংলোর বেহাল চিত্রের কথা তুলে ধরবো।


জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি দুলাল দেবনাথ বলেন,ধূপগুড়ি ডাক বাংলোতে নৈশ প্রহরী নেই সেটা আমার জানা ছিলো না।খুব দ্রুত নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার পছন্দ

বিজ্ঞাপন

আরও খবর

বিজ্ঞাপন